শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৫ সেপ্টেম্বর। রোববার আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড বন্যার কারণে তিন মাস পিছিয়ে যাওয়া মাধ্যমিক পরীক্ষার নতুন সূচি প্রকাশ করেছে।

সব বিষয়ের পরীক্ষা সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। ২ ঘণ্টার পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নের জন্য ২০ মিনিট এবং রচনামূলক প্রশ্নের জন্য ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট সময় থাকবে।

নতুন সূচি অনুযায়ী, প্রথমদিন বাংলা (আবশ্যিক) প্রথমপত্র ও সহজ বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলা (আবশ্যিক) দ্বিতীয়পত্র ও সহজ বাংলা দ্বিতীয়পত্র ১৭ সেপ্টেম্বর, ইংরেজি (আবশ্যিক) প্রথমপত্র ১৯ সেপ্টেম্বর এবং ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয়পত্রের পরীক্ষা ২০ সেপ্টেম্বর নেওয়া হবে।

গণিত (আবশ্যিক) ২২ সেপ্টেম্বর; পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ২৪ সেপ্টেম্বর; গার্হস্থ্য বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়), সংগীত (তত্ত্বীয়), আরবি, সংস্কৃত, পালি, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া (তত্ত্বীয়) এবং চারু ও কারুকলা (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষা ২৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।

রসায়ন (তত্ত্বীয়), পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং ব্যবসায় উদ্যোগ ২৬ সেপ্টেম্বর; ভূগোল ও পরিবেশ ২৭ সেপ্টেম্বর; জীববিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) এবং অর্থনীতি পরীক্ষা ২৮ সেপ্টেম্বর নেওয়া হবে।

এছাড়া হিসাববিজ্ঞান ২৯ সেপ্টেম্বর এবং উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) বিষয়ের পরীক্ষায় বসতে হবে ১ অক্টোবর।

করোনা মহামারির কারণে চার মাস পিছিয়ে গত ১৯ জুন চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগ মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা দেখা দেওয়ায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

প্রবেশপত্র ডাউনলোডে আরও সময় পাচ্ছে গুচ্ছ ভর্তিচ্ছুরা

প্রবেশপত্র ডাউনলোডে আরও সময় পাচ্ছে গুচ্ছ ভর্তিচ্ছুরা

 প্রবেশপত্র ডাউনলোডে আরও সময় পাচ্ছে গুচ্ছ ভর্তিচ্ছুরা

প্রবেশপত্র ডাউনলোডে আরও সময় পাচ্ছে গুচ্ছ ভর্তিচ্ছুরা
ফাইল ছবি

গুচ্ছভুক্ত ২২টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তির প্রবেশপত্র সংগ্রহ গত ৭ জুলাই থেকে শুরু হয়ে ১২ জুলাই রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হলেও আবারো সময় বাড়িয়েছে কর্তৃপক্ষ।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির দেওয়া তথ্যমতে জানা গেছে, প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের কথা বিবেচনা করে প্রবেশপত্র ডাউনলোড করার সময় বাড়িয়েছে গুচ্ছ ভর্তি কমিটি।

আগামী ২২ জুলাই থেকে পরীক্ষার আধা ঘণ্টা আগ পর্যন্ত প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা।এছাড়াও পরীক্ষার কেন্দ্র (কক্ষ নং, ভবন ও সেন্টারের নাম) পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের মোবাইল ফোনে জানানো হবে এবং ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, আমরা চাই না কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেওয়া থেকে বঞ্চিত হোক।

বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে পরীক্ষা পেছানো হবে কি না- জানতে চাইলে তিনি জানান, পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সবকিছু আগের তারিখ অনুযায়ী আছে।

এর আগে ১৫ জুন থেকে শুরু হওয়া গুচ্ছ ভর্তির আবেদন শেষ হয় ২৫ জুন। এবার গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তিন ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে মোট ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫১৪টি।

এ বছর সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছে ‘এ’ ইউনিটে। ‘এ’ ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৭২৬টি। ‘বি’ ইউনিটে আবেদন জমা পড়েছে ৯০ হাজার ৬১৮টি। ‘সি’ ইউনিটে ৪২ হাজার ১৭০টি।

আগামী ৩০ জুলাই (শুক্রবার) ‘ক’ ইউনিট, ১৩ আগস্ট (শুক্রবার) ‘খ’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট (শুক্রবার) ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এ বছর গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয় হলো— জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন ঢাবি ছাত্র, অতঃপর...

রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন ঢাবি ছাত্র, অতঃপর...

 রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন ঢাবি ছাত্র, অতঃপর...


রাবিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন ঢাবি ছাত্র

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার এ ইউনিটের প্রথম শিফটে সকাল ৯টায় পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক শিক্ষার্থীর নাম এখলাসুর রহমান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থী। জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কুয়াতপুর গ্রামে তার বাড়ি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কলা অনুষদভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের প্রথম শিফটের ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া একাডেমিক ভবনে থেকে মূল পরীক্ষার্থী তামিম হাসান লিমনের পরিবর্তে ৫০ হাজার টাকার চুক্তিতে এখলাস প্রক্সি দিচ্ছিল। পরে তার গতিবিধি সন্দেহজনক ও ছবিতে মিল না থাকায় দায়িত্বরত শিক্ষকের সন্দেহ হয়। প্রক্সির সত্যতা মিললে প্রক্টরের মাধ্যমে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক যুগান্তরকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালে নিয়ম বহির্ভূতভাবে অন্যের পরীক্ষা দেওয়ার অভিযোগে ঢাবির এক শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।

‘সি’ ইউনিট দিয়ে জাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু

‘সি’ ইউনিট দিয়ে জাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু

 ‘সি’ ইউনিট দিয়ে জাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু

‘সি’ ইউনিট দিয়ে জাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ‘সি’ ইউনিটভুক্ত কলা ও মানবিকী অনুষদ এবং বঙ্গবন্ধু তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকাল ৯টায় প্রথম শিফটের পরীক্ষা শুরু হয়। পরে বিকাল সোয়া ৪টায় ৫ম শিফটের পরীক্ষা হয়। 
 
এদিকে কোনোরকম বিশৃঙ্খলা ছাড়াই প্রথম দিনের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন বেলা সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের মধ্য দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) শেখ মো. মনজুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ রাশেদা আখতার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

এ সময় উপাচার্য বলেন, সুষ্ঠু-স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সব অনুষদের ডিনদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, ভর্তিচ্ছু উপস্থিতির হার ৮৫ শতাংশ ছিল।

পরীক্ষার্থীদের দাবি, বরাবরের মতো এবারের প্রশ্নের মান ছিল সন্তোষজনক। তবে শিফট পদ্ধতি থাকায় অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও পরীক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাছাড়া একই ইউনিটে একাধিক শিফটে দিনব্যাপী পরীক্ষা হওয়ায় ভোগান্তি পেহাতে হয়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের। 

প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, প্রথম দিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে এবার ইউনিট সংখ্যা কমানো হয়েছে, পরবর্তীতে শিফট পদ্ধতি নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার বি ইউনিট ভুক্ত সামাজবিজ্ঞান ও আইন অনুষদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২ মেডিকেলে শিক্ষার্থী ভর্তি

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২ মেডিকেলে শিক্ষার্থী ভর্তি

 নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ২ মেডিকেলে শিক্ষার্থী ভর্তি


মেডিকেল

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও চলতি শিক্ষাবর্ষে ঢাকার আইচি ও রাজশাহীর শাহ মখদুম নামে দুটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে। অথচ মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় কয়েক বছর আগে কলেজগুলোতে ভর্তি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এছাড়া আরও কয়েকটি মেডিকেল অবৈধভাবে ভর্তির চেষ্টা চালালে শেষ পর্যন্ত তা থেমে যায়। এমন প্রেক্ষাপটে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে।

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র যুগান্তরকে জানিয়েছে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় ২০১৭ সালে গাজীপুরের নাইটিঙ্গেল, ২০২০ সালে রাজশাহীর শাহ মখদুম ও রংপুরের নর্দান মেডিকেল কলেজের সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। শিক্ষার্থীদের অন্য কলেজে মাইগ্রেশন করে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০১৭-১৮ সেশন থেকে ধানমন্ডির নর্দান ইন্টারন্যাশনাল, শেরেবাংলা নগরের কেয়ার মেডিকেল ও ডেমরার আমুলিয়ার আইচি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে স্থগিত আদেশ দেওয়া হয়। কিন্তু চলতি শিক্ষাবর্ষে কারও তোয়াক্কা না করে আইচি ও শাহ মাখদুম মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করেছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র যুগান্তরকে বলেছে, আইচিতে ৫০ আসনের সবকটিতে ভর্তি নিয়েছে। অথচ সেখানে দুটি বিভাগে শিক্ষক না থাকাসহ সাতটি বিভাগে অধ্যাপকের পদ শূন্য রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতালে ৭০ শতাংশ রোগী ভর্তি থাকার কথা থাকলেও ২৮ জুলাই সেখানে মাত্র ১৫ জন রোগী ভর্তি ছিল। সবচেয়ে নাজুক অবস্থা দেখা গেছে নাইটিঙ্গেল মেডিকেল কলেজে। চরম শিক্ষক সংকট ছাড়াও হাসপাতালে রোগী নেই বললেই চলে। ফলে বছরের ১১ ফেব্রুয়ারি ৫৬ জন শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে অন্যত্র মাইগ্রেশনের জন্য আবেদন করে। এরপরও ২৮ জুলাই পর্যন্ত ২৭ জন শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া এবারের মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থী ১০০ নম্বরের মধ্যে মাত্র ১১ এবং আরেক শিক্ষার্থী ১৮ নম্বর পেলেও শাহবুদ্দিন মেডিকেল কলেজ ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ দেয়। এছাড়া একজনের ভর্তি পরীক্ষায় সিরিয়াল আসে ৫৬ হাজার, কিন্তু বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজে ২৮০০ মেধাক্রম দেখিয়ে তাকে ভর্তির সুযোগ দেয়। এমনকি পরীক্ষা না দিয়েই এক শিক্ষার্থী ইউনিভার্সেল মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পান। এমন তথ্য ফাঁস হওয়ার পর স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয় থেকে তদন্ত শুরু হলে বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে মর্মে কলেজগুলো ওই শিক্ষার্থীদের ভর্তির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। সাভারের গণস্বাস্থ্য মেডিকেলে ৬০ আসনের বিপরীতে ১১০ জনকে ভর্তি করা হয়েছে।

জানতে চাইলে বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মুবিন খান যুগান্তরকে বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে কোনো কলেজ বন্ধ বা চালুর ক্ষমতা নেই। ফলে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর সব বলতে পারবে। কলেজগুলোর শিক্ষা ও সেবার গুণগত মান কিভাবে বাড়ানো যায়, সে লক্ষ্যে সংলাপের মাধ্যমে একটি প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ভর্তিতে অসাধু উপায়ের বিষয়টি জানার পর মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে তদন্তের জন্য বলেছি। এজন্য একটি কমিটিও করা হয়েছে। কমিটির তদন্তে টেম্পারিংয়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এটা মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে। তবে অ্যাসোসিয়েশন খারাপ কোনো কিছুতেই উৎসাহ দেয় না।’

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এনায়েত হোসেন যুগান্তরকে বলেন, ‘কেউ অসদুপায়ে ভর্তির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের পরিষ্কার কথা যেসব মেডিকেলের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তারা নিয়মবহির্ভূতভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করলেও শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন পাবে না। যত চেষ্টা-তদবিরই করুক কাজ হবে না। আর মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য সেন্ট্রাল স্টুডেন্ট পোর্টাল সিস্টেম রেজিস্ট্রেশন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই চাইলেও কেউ অনিয়ম করতে পারবে না।’ বিএমডিসির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ডা. আরমান হোসেন বলেন, নির্দেশনা অমান্য করে শিক্ষার্থী ভর্তি করলে তাদের সনদ ও রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হবে না। ফলে ভর্তি হওয়ার আগে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যেন কলেজ সম্পর্কে ভালোমতো জেনে নেন। কলেজ পরিচালনায় সরকারের হালনাগাদ অনুমোদন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও বিএমডিসি স্বীকৃতি রয়েছে কিনা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়রে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব সাইফুল হাসান বাদল যুগান্তরকে বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শাহ মখদুম ও আইচি মেডিকেল কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করছে বলে শুনেছি। পরে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তিতে দিয়ে অভিভাবকদের সতর্ক ও শিক্ষার্থীদের ভর্তি হতে নিষেধ করেছেন। আদালতের মাধ্যমে আইনগতভাবে তা মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ পরিদর্শন করা হয়েছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রমাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে, এখন যাচাই-বাছাই চলছে। পাশাপাশি মেডিকেল কলেজে ভর্তিতে অটোমেশন পদ্ধতি চালু হচ্ছে। শিক্ষক, ল্যাব ও অবকাঠামো সমস্যা নিরসনে মন্ত্রণালয় এবং দুই অধিদপ্তরের সমন্বয়ে নানামুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই সংকট কেটে যাবে।

এবার প্রকৌশল গুচ্ছে সুযোগ পেল সেই কলেজের ৩৫ শিক্ষার্থী

এবার প্রকৌশল গুচ্ছে সুযোগ পেল সেই কলেজের ৩৫ শিক্ষার্থী

এবার প্রকৌশল গুচ্ছে সুযোগ পেল সেই কলেজের ৩৫ শিক্ষার্থী

এবার প্রকৌশল গুচ্ছে সুযোগ পেল সেই কলেজের ৩৫ শিক্ষার্থী

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভর্তি পরীক্ষায় ১৬ জন ভর্তির সুযোগ পাওয়ার পর এবার সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের ৩৫ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পেয়েছে প্রকৌশল গুচ্ছে (রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়)।

কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম আহমেদ ফারুক শুক্রবার যুগান্তরকে বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে প্রকৌশল গুচ্ছের ফল আমরা হাতে পেয়েছি। আজ (শুক্রবার) তো কলেজ বন্ধ, তাই পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এ পর্যন্ত আমরা ৩৫ জনের তথ্য পেয়েছি।

গোলাম আহমেদ ফারুক আরও বলেন, সৈয়দপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এটি। প্রতি বছরই ভালো ফল করে শিক্ষার্থীরা। ২০১৯ সালের জুনে যখন আমি এখানে যোগ দেই, তখনই দেখেছি নানা কার্যক্রম। পরে আরও কিছু পদক্ষেপ নেই। এর ফল আমরা পাচ্ছি। এ বছর যারা এমন ভালো করল তারা আমার সময়েই ভর্তি, সেজন্য আমার আরও বেশি ভালোলাগা কাজ করছে। এ ফল আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অব্যাহত প্রচেষ্টার ফল। আমি সবাইকে অভিনন্দন জানাই। আমরা আরও এগিয়ে যাওয়ার জন্য সবার দোয়া ও সহযোগিতা চাই।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে শুক্রবার কলেজের শিক্ষক আব্দুল আউয়াল জানান, এবার যারা প্রকৌশল গুচ্ছে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে তারা হলো- সুমাইয়া অর্পিতা (মেধা তালিকায় ক্রম ৫৪), তুষার (১২৫), নূর আলম (১৪৬), সুফিয়ান (২২১), শামছি (২৮০), নাহিন (৪১৭), শুভ (৪৬৯), সুপ্ত (৪৯১), নিতু (৫৬৪), আরাফাত (৭০৬), মাহফুজ (৮৬০), অমৃত পাল (৯২৩), জাহিদ (৯৩৯), রাইসা (৯৮৫), শাওন (১১০৮), আসমাউল হুসনা (১২১০), পল্লব (১২২৮), শাহরিয়ার জিসান (১৩০৫), ফাহিম সরকার (১৩০৫), মনিষা রায় (১৩৫১), নাদিরা নুসরাত (১৬০৩), আবদুস সবুর সৌরভ (১৮৯৬), মালিহা মীম (২০২৬), অনিমেষ রায়(২১৫৬), নাইমুর রহমান নাহিদ (২৩২৯), শাকিরুল ইসলাম (২৩৪০), নাসিম মোল্লা (২৪৩৭), অর্থি (২৬৩২), রাফিয়া নূর রিমতি (২৬৪৭), লাবিব মাহমুদ (২৯০৪), তামিম হোসেন (২৭৯৯), হুমায়ুন কবির (২৯৫৭), সিফাত হাসান (৩৩৯৭), নোভা (৩৪০৫) ও বাদশা (৩৮১৩)।

গত বছর প্রকৌশল ভর্তি পরীক্ষায় গুচ্ছ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল ৩২ জন। গত বছর বুয়েটে সুযোগ পেয়েছিল ১১ জন। এছাড়া এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩৯ জন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল। কলেজটি থেকে ২০২০ সালে ৪০ জন, ২০১৯ সালে ৩৮ জন, ২০১৮ সালে ৩৬ শিক্ষার্থী সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পায়।

কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী

কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী

 কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী



কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী
ফাইল ছবি

দেশে তৃতীয়বারের মতো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। ইতোমধ্যেই গত মঙ্গলবার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছে গুচ্ছ কৃষি ভর্তি কমিটি। মোট ৩৫৩৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭৯ হাজার ১৪৭ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে ১টি আসনের জন্যে লড়বেন প্রায় ২৩ জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কমিটির দায়িত্বে থাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যা অনুযায়ী আবেদন করা ভর্তিচ্ছুদের তিনগুণ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন। তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এ বছর আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.৫০ করা হয়েছে। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুক পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

আগের আসন সংখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি।

তথ্যমতে, এ বছর ২০১৭/২০১৮/২০১৯ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২০/২০২১ সালে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় যারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবলমাত্র তারাই এই ভর্তি আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০সহ সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৩০ থেকে ১২টা ৩০ পর্যন্ত ৭টি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। 

এইচএসসি/সমমান পর্যায়ে ইংরেজিতে ১০, প্রাণীবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি/সমমানের জন্য ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করা হবে।

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

 

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

 অনলাইন ডেস্ক

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’


‘কাউকে লোভ দেখিযে, সন্তুষ্ট করে, অনুরোধ করে, পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাইরে বিভিন্ন দাবি তুললেও তা আমলে নেওয়া হবে না, বিএনপিকে ইসির সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।’ 

বিএনপির নির্বাচনে না আসার ঘোষণা প্রসঙ্গে রবিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। 

তিনি বলেন, যারা বলছেন যে, আমরা নির্বাচন করবো না, নির্বাচনে আসবো না এবং নির্বাচনেও যাবো না; তারা কী বলছেন না বলছেন তা আলোচ্যসূচিতে রাখার সুযোগ নেই। আমাদের আলোচ্যসূচিতে রাখতে হবে যারা আলোচনায় এসেছেন। কাজেই তারা বাইরে কী বলছেন, তার ভিত্তিতে কি আলোচনা করার সুযোগ আছে!

বিএনপি যদি বলে, নির্বাচনে যাবে তবে ইভিএম চাই না; তখন কী করবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, তাহলে অবশ্যই আমলে নেবো। কারণ তখন আসবেন এসে বলবেন যে, আমরা নির্বাচনে যাবো, আমরা এটা চাই। তখন তো সেটাই আমরা নেবো। কারণ ওনারা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। আমলে না নেওয়ার তো সুযোগ নাই। যেহেতু সংলাপে আসে নাই, আলোচনায় আসে নাই। কাজেই ওনাদের কথা তো রেজ্যুলুশনভুক্ত করে আলোচনা করতে পারি না।

যদি এক মাস-দুই মাস আগে এসে বলে ইভিএম চাই না তখন কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, তখন আমরা আলোচনা করবো, পরীক্ষা করবো, তখন অবশ্যই একটা সিদ্ধান্তে আসবো। কেন আসবো না?

ইভিএম থেকে তখন সরে যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, সরে যাওয়ার তো বিষয় না। তখন আসন হয়তো কম-বেশি হতে পারে। ওনারা যদি বলেন, এত কইরেন, তখন আমরা যদি কনভিন্সড হই, যে কথায় যুক্তি আছে তাহলে সেটাই হবে। আর যদি দেখি যে যুক্তিযুক্ত না, তখন বলবো আপনাদের যুক্তিটা তো গ্রহণযোগ্য হলো না। আপনারা এভাবে বললে হবে না, বিষয়টা তো লজিক্যাল হতে হবে।

সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, বিএনপিকে অবশ্যই আলোচনায আসতে হবে। কারণ যিনি আলোচনায় আসলেন না, কথা বললেন না, তাদের বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার তো সুযোগ নেই। যারা নির্বাচনে আসবেন আমাদের তাদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চিন্তা করতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

 রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

 অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং


দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি সমন্বয় করতে গত ১৯ জুলাই থেকে চলছে শিডিউল করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং। প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।

সোমবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকেও সেই ধারাবাহিকতায় শুরু হবে লোডশেডিং কার্যক্রম। চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত।

রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) কোথায়, কখন লোডশেডিং করবে, সে শিডিউল জানিয়ে দিয়েছে। যদিও শিডিউলের বাইরেও লোডশেডিং হচ্ছে।

রাজধানীর আজকের সম্ভাব্য লোডশেডিং শিডিউল জানতে ডেসকোর গ্রাহকরা ক্লিক করুন এখানে এবং ডিপিডিসি গ্রাহকরা ক্লিক করুন এখানে

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

  

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

 অনলাইন ডেস্ক 

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

ওয়াকার ইউনিস (বামে) ও শাহিন শাহ আফ্রিদি (ডানে)


গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শাহিন শাহ আফ্রিদি একাই ভারতের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবারের এশিয়া কাপেও মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভেন্যুও সেই সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু এবার দেখা মিলবে না শাহিনের সেই বোলিং ঝলক। কারণ ইনজুরিতে এশিয়া কাপ শেষ পাকিস্তানি পেসারের। 

শাহিন ছিটকে যাওয়ার খবরে পাকিস্তানি সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়লেও ভারতের জন্য তা স্বস্তির কারণ বলেই মনে করেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিস।

শনিবার রাতে টুইটারে শাহিন আফ্রিদির একটি ছবি পোস্ট করে ওয়াকার লিখেন, ‘শাহিনের চোট ভারতের টপ অর্ডার ব্যাটারদের বড় স্বস্তি। এশিয়া কাপে তাকে দেখতে পাব না বলে খারাপ লাগছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো, চ্যাম্পিয়ন!’

গত বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে শাহিন শিকার করেছিলেন তিন উইকেট, হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। ম্যাচটি ভারত হেরেছিল ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। 

ডিমের আড়তে অভিযান

ডিমের আড়তে অভিযান

ডিমের আড়তে অভিযান

কারসাজি করে মূল্য বৃদ্ধি

 নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিমের আড়তে অভিযান


কারসাজি করে ডিমের দাম বৃদ্ধি করায় ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া থানার বাইপাইলসহ রাজধানীর উত্তরা পূর্ব ও ও পশ্চিম থানার বাজার এলাকার বেশ কিছু আড়তে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। 

ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে দেশব্যাপী অভিযানের অংশ হিসেবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর গতকাল এসব অভিযান চালায়। জানা গেছে, প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য ছিল ৯ টাকা ১০ পয়সা এবং বিক্রি করা হয়েছে ১১ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতিটি ডিমে লাভ করা হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা করে। এভাবে বুধবার কারসাজি করে বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি করেন বাইপাইলের আসিফের ডিমের আড়তসহ অনেক আড়তদার। বাধ্য হয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর গতকাল তাদের জরিমানা করে। ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে এ অভিযানে আসিফ ডিমের আড়ত ও এস জে? অ্যাগ্রো ডিমের আড়তকে ১ লাখ টাকা করে এবং ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের অফিসপ্রধান আবদুল জব্বার মণ্ডল ও প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান। আবদুল জব্বার মণ্ডল জানান, অভিযানের সময় দেখা গেছে ডিম কেনার ক্যাশ মেমো সংরক্ষণ করা হয়নি, বিক্রির ক্যাশ মেমো প্রদান করা হয়নি, মূল্য তালিকা টানানো নেই, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে নয় বরং চাহিদা অনুযায়ী ডিমের দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে ইত্যাদি।

তিনি জানান, ডিম, মুরগির দাম যৌক্তিক, স্বাভাবিক ও ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় দেশব্যাপী এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বাইপাইলের ডিমের আড়তে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, ৭ আগস্ট প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য ছিল ৯ টাকা ৪০ পয়সা এবং ২০ পয়সা লাভে বিক্রি হয়েছে ৯ টাকা ৬০ পয়সা দরে। ১৭ আগস্ট প্রতি ডিমে লাভ করা হয়েছে ২ দশমিক ৭০ টাকা। এর মধ্যে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজ ১৩ আগস্ট কাজী ফার্মে উৎপাদিত সব ডিম প্রস্তাবিত দরের চেয়ে বেশি দর হাঁকিয়ে নিলামের মাধ্যমে কিনে অতি মুনাফা লাভের আশায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তার প্রতিষ্ঠান ডিম কেনা ও বেচার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স ৩০ জুন মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব অপরাধে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের সকল প্রকার কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) সকাল ১০টায় অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেন তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার জোহরা মার্কেট ও পূর্ব থানার বিড়িয়ার বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ দুই অভিযানে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ভোক্তা অধিদফতরের পরিচালক ও উপসচিব মোহাম্মদ মনজুর শাহরিয়ার জানান।