অন্যান্য খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অন্যান্য খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৪

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন-13

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন-13

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন


You have to wait 10 seconds.

Download Timer

Google (গুগল)-এর ভিডিও প্ল্যাটফর্ম YouTube (ইউটিউব) বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল।

সংস্থাটি তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে তাদের সাইটের হোম পেজের শীর্ষে (masthead) কোনো পলিটিক্যাল বা ইলেকশন অ্যাড দেখানো হবে না। প্রসঙ্গত এর আগে অ্যালকোহল, ড্রাগ ও গ্যাম্বলিং এর জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল।

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউটিউব তাদের সমস্ত বিজ্ঞাপন দাতাদের কে ইমেলের মাধ্যমে নতুন নিয়ম সম্পর্কে অবগত করেছে। প্রসঙ্গত গতবছর আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকশনের সময় ইউটিউব বিজ্ঞাপনে যথেচ্ছ টাকা ব্যয় করেছিলেন এবং ইউটিউব জুড়ে তার বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছিল। যা বিরোধীরা মোটেও ভাল চোখে দেখেনি। এরপরই ইউটিউবকে এই সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেল।


ইউটিউব তাদের ইমেলে লিখেছে, “আমরা বিজ্ঞাপনদাতা ও দর্শকদের প্রয়োজন বোঝার জন্য প্রত্যহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপন পরীক্ষা করি। নতুন নিয়ম উভয়ের জন্য ভালো হবে।”



বুধবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৪

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন-12

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন-12

YouTube বিজ্ঞাপন দাতাদের জন্য বড় খবর, আর দেওয়া যাবে না এই বিজ্ঞাপন


You have to wait 10 seconds.

Download Timer

Google (গুগল)-এর ভিডিও প্ল্যাটফর্ম YouTube (ইউটিউব) বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এবার বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল।

সংস্থাটি তরফে জানানো হয়েছে, এবার থেকে তাদের সাইটের হোম পেজের শীর্ষে (masthead) কোনো পলিটিক্যাল বা ইলেকশন অ্যাড দেখানো হবে না। প্রসঙ্গত এর আগে অ্যালকোহল, ড্রাগ ও গ্যাম্বলিং এর জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য ছিল।

সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইউটিউব তাদের সমস্ত বিজ্ঞাপন দাতাদের কে ইমেলের মাধ্যমে নতুন নিয়ম সম্পর্কে অবগত করেছে। প্রসঙ্গত গতবছর আমেরিকার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট, ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকশনের সময় ইউটিউব বিজ্ঞাপনে যথেচ্ছ টাকা ব্যয় করেছিলেন এবং ইউটিউব জুড়ে তার বিজ্ঞাপন দেখা গিয়েছিল। যা বিরোধীরা মোটেও ভাল চোখে দেখেনি। এরপরই ইউটিউবকে এই সিদ্ধান্ত নিতে দেখা গেল।


ইউটিউব তাদের ইমেলে লিখেছে, “আমরা বিজ্ঞাপনদাতা ও দর্শকদের প্রয়োজন বোঝার জন্য প্রত্যহ বিভিন্ন বিজ্ঞাপন পরীক্ষা করি। নতুন নিয়ম উভয়ের জন্য ভালো হবে।”



রবিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৩

All you need to know about home loan insurance-10

All you need to know about home loan insurance-10

All you need to know about home loan insurance



You have to wait 15 seconds.

Download Timer

Taking about home loan insurance is a drawn-out responsibility. Home advances can stretch out dependent upon 25 to 30 years or more. We as a whole realize life accompanies no assurance cards. Simply envision what is happening the person who pays the EMI on a month-to-month or quarterly premise terminates under unexpected conditions. Subsequently, the weight of paying the advance falls on the reliant relatives. On the off chance that the credit isn’t reimbursed and the portions are not paid consistently, a circumstance might happen that the house or the guarantees will be seized.

In any of these cases, a resource that is valuable to the family or that can be utilized during critical crossroads can be seized due to non-reimbursement of the extraordinary advance sum. Thus, it is in circumstances like these that you really want to plan in advance to safeguard your family and friends and family. This is the explanation home credit protection becomes significant and critical and, one could contend, basic!

How would you profit from Home Loan Insurance?

Home credit protection can typically profit while securing the home advance. It is accessible with the monetary foundation from which you are benefiting the advance and is frequently packaged with home credit. While it is fitting to profit home credit protection, it should be noticed that occasionally it is sold as a required piece of the home credit, which ought not to be finished. There are no Insurance guidelines that command credits alongside protection. Subsequently, you should address any outstanding concerns and pick protection to conspire that suits your requirements as opposed to the one being proposed to you.

How does this Insurance Work?

Home credit protection is like a term of protection. You are covered under this protection till the time of your advance reimbursement. When the exceptional credit sum has been paid, the protection term lapses. In any case, assuming that the person who is paying the advance lapses inside the credit term period then the advance protection can be guaranteed by the family to reimburse the remarkable home advance sum. This guarantees that the house or different resources as pledges are not held onto by the bank.

Installment of Premium

Most home credit insurance plans accompany a one-time charge installment choice. Purchasers likewise have the choice to club the exceptional sum with the complete advance sum. For instance – on the off chance that the top-notch sum on Rs 50 Lakhs credit is Rs 2 Lakhs, then the purchaser has the choice of taking credit of Rs 52 Lakhs. During reimbursement of the remarkable credit sum through EMIs, they can likewise club the premium in the EMI.

Significant for banks as well

Monetary foundations don’t believe that any of their advances should transform into awful obligations. In all circumstances, their goal is to safeguard their credits to stay away from a similar transformation into a terrible obligation. Accordingly, these monetary organizations believe borrowers should bring back home advance protection insurance. In the case of the borrower’s end who has not taken the home credit assurance, the monetary establishments need to go through the issues of holding onto the resource and selling a similar to recuperate the remarkable advance sum. Accordingly, in the event that the borrower is covered through this protection, it is great for the monetary establishments as well!

Riders and extra advantages

A few home credit protection suppliers likewise offer home advances protection plans with discretionary rider intent to improve their cover benefits. Riders like terminal or basic disease, inadvertent passing, joblessness, and inability can be clubbed with home advance assurance plans.

Home credit protection isn’t mandatory while benefiting from home advances. Notwithstanding, for getting your funds and resources, protection of this nature becomes significant. As a purchaser of protection, you should make sure to do your own exploration prior to profiting from this choice. Monetary establishments might attempt to sell you protection for their benefits yet you should purchase the one that suits your requirements. Likewise, you don’t need to purchase the protection quickly while benefiting from a credit. You can purchase the protection later through another monetary foundation or bank or entryways that sell protection. Home credit protection in this manner furnishes you with the truly necessary genuine serenity as it shields your family from any unanticipated conditions.

রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২

৩ কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: হাই কোর্টের আদেশ বহাল

৩ কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: হাই কোর্টের আদেশ বহাল

 

৩ কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: হাই কোর্টের আদেশ বহাল

ঢাকার তিন কলেজে মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতে ভর্তির নিয়ম স্থগিত করে দেওয়া হাই কোর্টের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে সরকার যে আবেদন করেছিল, আপিল বিভাগে তা খারিজ হয়ে গেছে। এর ফলে নটরডেম, হলিক্রস ও সেন্ট জোসেফ কলেজে পরীক্ষার মাধ্যমে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির প্রক্রিয়াই বহাল থাকল বলে তিন কলেজ কর্তৃপক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন। হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে সরকারের করা আবেদনের শুনানি করে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ রোববার এই আদেশ দেয়।

 বিগত কয়েক বছরের মতো এবারও মাধ্যমিকের ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির নিয়ম রেখে গত ১২ মে নীতিমালা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরে ১৭ মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে ২৬ মে থেকে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির কার্যক্রম শুরুর কথা জানানো হয়। নটরডেম কলেজের অধ্যক্ষ ফাদার হেমন্ত পিয়াস রোজারিও, হলিক্রস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সিস্টার শিখা গোমেজ এবং সেন্ট জোসেফ কলেজের অধ্যক্ষ ব্রাদার রবি পিউরিফিকেশন ওই নীতিমালা চ্যালেঞ্জ করে ১৯ মে উচ্চ আদালতে আবেদন করেন, যাতে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি চাওয়া হয়।

 ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য করা ওই নীতিমালার চারটি ধারা ও কয়েকটি উপধারা চ্যালেঞ্জ করা হয় রিট আবেদন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২২ মে হাই কোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ ওই তিন কলেজের ক্ষেত্রে নীতিমালা চার মাসের জন্য স্থগিত করে দেয়। ওই নীতিমালার চারটি ধারা কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ববহিভূর্ত’ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুলও দেয় হাই কোর্ট। হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার বিচারপতির আদালতে আবেদন নিয়ে যায়। ২৯ মে চেম্বার বিচারপতি স্থগিতাদেশ না দিয়ে বিষয়টি নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠায়।

এর ধারাবাহিকতায় রোববার বিষয়টি শুনানির জন্য ওঠে। আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল গৌতম রায়। আদেশের পর ব্যারিস্টার তানিম হোসেইন শাওন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদন আপিল বিভাগে খারিজ হওয়ায় হাই কোর্টের আদেশ বহাল রইল।”

৩ কলেজে ভর্তি পরীক্ষা: হাই কোর্টের আদেশ বহাল

 তিনি বলেন, ইতোমধ্যে গত শুক্রবার তিনটি কলেজের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ১১ জুন ভর্তি প্রক্রিয়াও শেষ হয়েছে। আবেদন খারিজ হওয়ায় ওই ভর্তি প্রক্রিয়াই বহাল থাকল। নীতিমালার ৩.১ ধারা অনুসারে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য কোনো বাছাই বা পরীক্ষা হবে না। ৪.১ ধারায় বলা হয়েছে, বোর্ড অনুমোদিত সব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য অনলাইন বা টেলিটক মোবাইলের এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

 ৪.২ ধারায় বলা হয়েছে, অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা সাপেক্ষ সর্বোচ্চ দশটি কলেজে বা সমমানের প্রতিষ্ঠানের জন্য পছন্দক্রম দিতে পারবে। ৩.২ ধারায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধস্থন দপ্তরসমূহসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সন্তানদের জন্য দুই শতাংশ কোটা রাখা হবে। এসব ধারা ‘স্বেচ্ছাচারি ও অস্বচ্ছ’- এই যুক্তি দেখিয়ে রিট আবেদনটি করা হয় বলে তানিম হোসেইন জানান।
বিচারক নিয়োগে বিধি করতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে

বিচারক নিয়োগে বিধি করতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে

 

বিচারক নিয়োগে বিধি করতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে

সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগে আদালত সরকারকে আইন বা বিধিমালা করতে নির্দেশ দিতে পারে বলে মত দিয়েছেন অ্যামিকাস কিউরি এ এফ হাসান আরিফ। সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের দিক-নির্দেশনা (গাইডলাইন) তৈরি প্রশ্নে রুলের শুনানিতে রোববার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথের হাই কোর্ট বেঞ্চে এ মত তুলে ধরেন জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবী।

 সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ হাসান আরিফ আদালতকে বলেন, “সংবিধানের ৯৫ (২) (গ) অনুচ্ছেদ অনুসারে বিচারক নিয়োগের যোগ্যতা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে। নিয়োগের কর্তৃপক্ষ রাষ্ট্রপতি, তিনি প্রধান বিচারপতির সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়োগ দেবেন। এ বিষয়ে সরকারকে আইন বা বিধি করতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে।” বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দিক-নির্দেশনা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবীর করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে ছয় বছর আগের রুলের ওপর হাই কোর্টে এই শুনানি চলছে। এর ধারাবাহিকতায় ২৭ মে অ্যমিকাস কিউরি হিসেবে এ এফ হাসান আরিফ মতামত উপস্থাপন শুরু করেন।

পরবর্তী তারিখে লিখিত মতামত দেওয়ার পাশাপাশি অসমাপ্ত বক্তব্য উপস্থাপন করবেন বলে জানান এ এফ হাসান আরিফ। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সমরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস। অন্যদিকে রিট আবেদনকারী পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজীম। সমরেন্দ্র নাথ পরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য অবকাশ শেষে ১৪ জুলাই দিন রেখেছে।

বিচারক নিয়োগে বিধি করতে আদালত নির্দেশ দিতে পারে: হাসান আরিফ

এই মামলায় অ্যামিচি কিউরি হিসেবে রয়েছেন সাতজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তারা হলেন- ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, আজমালুল হোসেন কিউসি, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এ এফ হাসান আরিফ। ব্যারিস্টার আজীম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে ড. কামাল হোসেন লিখিত মতামত আদালতে দিয়েছেন। বিচারক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যক্তি বাছাইয়ে দিক-নির্দেশনা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাগীব রউফ চৌধুরী ২০১০ সালের ৩০ মে হাই কোর্টে রিট আবেদনটি করেন।

 প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৬ জুন বিচারপতি মো. ইমান আলী (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের হাই কোর্ট বেঞ্চ রুল দেয়। রুলে সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগে বাছাই প্রক্রিয়ায় ‘স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা’ আনতে কেন সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা তৈরি করা হবে না এবং নিয়োগের নির্দেশনা প্রণয়ন করে তা কেন গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। আইন সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

একইসঙ্গে নিয়োগের জন্য বিচারক বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ইতোপূর্বে কী প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, তা চার সপ্তাহের মধ্যে জানাতে আইন সচিবকে বলা হয়। রিট আবেদনকারীর আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রুল হওয়ার পর ২০১৪ সালে বিষয়টি বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার (বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতি) ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের হাই কোর্ট বেঞ্চের কার্যতালিকায় ওঠে। এ বিষয়ে মতামত দিতে আদালত অ্যামিচি কিউরি হিসেবে সাতজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবীর নাম ঘোষণা করে। ওই বেঞ্চ পুর্নগঠন হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে পাঠান বলে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজীম জানান।
সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

 

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই অভিযানকে বর্ণনা করেছেন ‘জনগণের আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে’ সরকারের একটি ‘কৌশল’ হিসেবে।  “আজ এই সাঁড়াশি অভিযানের অজুহাত দিয়ে তারা আবারও বিরোধী দলের ওপর চড়াও হবে বলে আমরা আশঙ্কা করছি,” বলেছেন তিনি। দেশে একের পর এক জঙ্গি কায়দায় হত্যা-হামলার প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

‘জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে নামছে পুলিশ’ শিরোনামে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী এই অভিযান শুক্রবার ভোর থেকে শুরু হয়ে চলবে সাত দিন।  গত এক বছরে লেখক, প্রকাশক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদের হত্যার পাশাপাশি বিদেশি, হিন্দু পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজক, বৌদ্ধ ভিক্ষু আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি চট্টগ্রামে একই কায়দায় খুন হন এক পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রী। তারপরই পুলিশের এই অভিযানের যোষণা আসে।

সরকারবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার দিকে ইঙ্গিত করে এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য বিএনপি-জামায়াতকে দায়ী করে আসছেন ক্ষমতাসীন দলের নেতারা। ওই অভিযোগ ‘অমূলক নয়’ মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বলেন, “একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, আমি হেড অফ দি গভার্নমেন্ট। আমার কাছে নিশ্চয়ই তথ্য আছে।”

সাঁড়াশি অভিযান নিয়ে বিএনপির প্রশ্ন

এর পাল্টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বৃহস্পতিবার দাবি করেন, আওয়ামী লীগ ও তার রাজনৈতিক মিত্ররাই এসব ঘটনায় জড়িত।

নির্বাচনী সংঘাতে আহত গাইবান্ধার বিএনপি নেতা আজিজুর রহমানকে দেখতে শুক্রবার সকালে আগারগাঁওয়ের পঙ্গু হাসপাতালে গিয়ে মির্জা ফখরুলও সাংবাদিকদের সামনে এ বিষয়ে কথা বলেন।

গত কয়েক দিনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সন্দেহভাজন পাঁচ জঙ্গিসহ নয়জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গে টেনে তিনি বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করেছেন, এই ধরনের সাঁড়াশি অভিযানের কথা বলছে, ইতোমধ্যে ক্রসফায়ার বা তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাও বেড়ে গেছে।”

গত ২ জুন ইউনিয়ন পরিষদের শেষ ধাপের ভোটের দুদিন আগে গাইবান্ধায় গুলিতে আহত হন ফুলছড়ি উপজেলার ভেরেন্ডাবাড়ি ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুর রহমান। ভোটে তিনিই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন স্পিকার

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন স্পিকার


চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন স্পিকার

চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শুক্রবার রাতে স্পিকার ঢাকায় ফেরেন বলে শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে। গত ২ জুন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান শিরীন শারমিন। সেখানে এনইউএইচ’র কেন্ট রিজ উইং এ ভর্তি হন তিনি। শিরীন শারমিনকে গত ২৮ মে উচ্চরক্তচাপজনিত জটিলতার কারণে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 পরে প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জানিয়েছিলেন, উচ্চরক্তচাপ ছাড়াও তার শরীরে কিছু ‘ভাইরাল সংক্রমণ’ হয়েছে। অসুসস্থতার মধ্যেও ২ জুন অর্থমন্ত্রীর বাজেট উপস্থাপনের সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন শিরীন শারমিন। ওই দিনই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। শুক্রবার ফেরার সময় বিমানবন্দরে স্পিকারকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সংসদের প্রধান হুইপ ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদ সদস্য মাহজাবিন খালেদ, সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবদুর রব হাওলাদার।

চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শুক্রবার রাতে স্পিকার ঢাকায় ফেরেন বলে শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে। গত ২ জুন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান শিরীন শারমিন। সেখানে এনইউএইচ’র কেন্ট রিজ উইং এ ভর্তি হন তিনি। শিরীন শারমিনকে গত ২৮ মে উচ্চরক্তচাপজনিত জটিলতার কারণে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 পরে প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জানিয়েছিলেন, উচ্চরক্তচাপ ছাড়াও তার শরীরে কিছু ‘ভাইরাল সংক্রমণ’ হয়েছে। অসুসস্থতার মধ্যেও ২ জুন অর্থমন্ত্রীর বাজেট উপস্থাপনের সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন শিরীন শারমিন। ওই দিনই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। শুক্রবার ফেরার সময় বিমানবন্দরে স্পিকারকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সংসদের প্রধান হুইপ ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদ সদস্য মাহজাবিন খালেদ, সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবদুর রব হাওলাদার।

চিকিৎসা শেষে ফিরেছেন স্পিকার

চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শুক্রবার রাতে স্পিকার ঢাকায় ফেরেন বলে শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে। গত ২ জুন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান শিরীন শারমিন। সেখানে এনইউএইচ’র কেন্ট রিজ উইং এ ভর্তি হন তিনি। শিরীন শারমিনকে গত ২৮ মে উচ্চরক্তচাপজনিত জটিলতার কারণে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 পরে প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জানিয়েছিলেন, উচ্চরক্তচাপ ছাড়াও তার শরীরে কিছু ‘ভাইরাল সংক্রমণ’ হয়েছে। অসুসস্থতার মধ্যেও ২ জুন অর্থমন্ত্রীর বাজেট উপস্থাপনের সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন শিরীন শারমিন। ওই দিনই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। শুক্রবার ফেরার সময় বিমানবন্দরে স্পিকারকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সংসদের প্রধান হুইপ ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদ সদস্য মাহজাবিন খালেদ, সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবদুর রব হাওলাদার।

চিকিৎসা শেষে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। শুক্রবার রাতে স্পিকার ঢাকায় ফেরেন বলে শনিবার সংসদ সচিবালয় থেকে জানানো হয়েছে। গত ২ জুন চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান শিরীন শারমিন। সেখানে এনইউএইচ’র কেন্ট রিজ উইং এ ভর্তি হন তিনি। শিরীন শারমিনকে গত ২৮ মে উচ্চরক্তচাপজনিত জটিলতার কারণে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

 পরে প্রধান হুইপ আ স ম ফিরোজ জানিয়েছিলেন, উচ্চরক্তচাপ ছাড়াও তার শরীরে কিছু ‘ভাইরাল সংক্রমণ’ হয়েছে। অসুসস্থতার মধ্যেও ২ জুন অর্থমন্ত্রীর বাজেট উপস্থাপনের সময় সংসদে সভাপতিত্ব করেন শিরীন শারমিন। ওই দিনই সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তিনি। শুক্রবার ফেরার সময় বিমানবন্দরে স্পিকারকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন সংসদের প্রধান হুইপ ফিরোজ, হুইপ ইকবালুর রহিম, সংসদ সদস্য মাহজাবিন খালেদ, সংসদ সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আবদুর রব হাওলাদার।
হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার

হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার

 

হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা কার্ড পাঠিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা কার্ড পাঠানোর দুদিন বাদে শনিবার বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্ডটি পৌঁছে দেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির সহ-সম্পাদক সেকান্দর আলীর কাছে ঈদের শুভেচ্ছা কার্ডটি পৌছে দিয়ে আসেন জনি, বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম ও আসাদুল করীম শাহিন।


হাসিনাকেও ঈদ কার্ড খালেদার




বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।

বর্তমানে চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্যে রয়েছেন। ছেলে তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনেই তিনি ঈদ করবেন।

গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ কার্ড পাঠিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান।

দুই নেত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন মুখোমুখি দেখা-সাক্ষাৎ না হলেও বছরের দুটি ঈদ ও বাংলা নববর্ষে কার্ড পাঠিয়ে তারা শুভেচ্ছা বিনিময় করে থাকেন। এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি।
মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার

মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার


 মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত সন্দেহে এবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সহকারী পরিচালক ওমর সিরাজসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। গতকাল শুক্রবার সকালে এই পরীক্ষা চলার সময় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইউজিসি ভবনে অভিযান চালায় র‌্যাব। ওই সময় ইউজিসি কার্যালয়ে ওমর সিরাজের কক্ষে তল্লাশি চালিয়ে প্রশ্নপত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব কর্মকর্তারা বলেছেন, চক্রটি ব্লুটুথ মাস্টারকার্ডসহ কিছু ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষাকেন্দ্রে উত্তর সরবরাহ করছিল। চক্রটি কৃষি অফিসার ও সহকারী জজ নিয়োগ পরীক্ষার জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি র‌্যাব কর্মকর্তাদের।


মেডিকেলের প্রশ্নপত্র ফাঁস: ইউজিসি কর্মকর্তাসহ তিনজন গ্রেপ্তার


মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে এর আগে মহাখালী থেকে আটক করা চারজনকে গত বৃহস্পতিবার একটি মামলায় চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম গতকাল সকালে ভর্তি পরীক্ষাকেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের নামে একটি চক্র মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অথচ দেখা গেছে, এসব প্রশ্নপত্র পুরোটাই ভুয়া। এর সঙ্গে আসল প্রশ্নের কোনোই মিল নেই। তবে যে চক্রটি এমন কাজে জড়িত তাদের বের করা হয়েছে। তারা সফল হতে পারেনি। র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান জানান, গতকাল সকালে ইউজিসি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় অভিযান চালিয়ে ওমর সিরাজ এবং তাঁর সহযোগী রেজাউল করিম ও ইশান ইমতিয়াজ হৃদয়কে আটক করা হয়েছে। 

ইউজিসির সহকারী পরিচালক সিরাজ প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর কক্ষ থেকে আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি প্রশ্নপত্র ফাঁসের কাজটি সহজে করার জন্য সম্প্রতি চীন থেকে একটি অত্যাধুনিক মেশিনও এনেছেন। মুফতি মাহমুদ খান আরও জানান, ওমর সিরাজ কৃষি ব্যাংকের অফিসার নিয়োগ, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সহকারী জজ নিয়োগসহ বেশ কয়েকটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর কাছ থেকে গত বছরের সহকারী জজ পরীক্ষার ২৩টি উত্তরপত্র, দুটি প্রশ্নপত্র, দুই লাখ টাকা, সরকারি দপ্তরের সিল ও চেক উদ্ধার করা হয়। গতকালের পরীক্ষায় চারজনকে প্রশ্নপত্র দেওয়ার কথা ছিল তাঁদের। র‌্যাব বিষয়টি বুঝতে পেরে বেশ কিছুদিন ধরে তাঁর ওপর নজরদারি করছিল। র‌্যাব কর্মকর্তারা জানান, ওমর সিরাজ এই চক্রের মূল হোতা। তিনটি ধাপে তাঁরা প্রশ্নপত্র জালিয়াতি করেন। প্রথম ধাপের ব্যক্তি পরীক্ষার্থী হয়ে কেন্দ্রে ঢুকে বাইরে প্রশ্নপত্র বের করে দেয়।


দ্বিতীয় ধাপে এই প্রশ্নের উত্তর তৈরি করে সিরাজকে তা সরবরাহ করে। রেজাউল ও হৃদয় এই কাজটি করছিল। তৃতীয় ধাপে সিরাজ ও তাঁর সহযোগীরা চীন থেকে আনা মাস্টারকার্ড ও ব্লুটুথের মাধ্যমে উত্তর পাঠান। পরীক্ষার্থী কানের কাছে লাগানো ছোট আকারের ডিভাইসে উত্তর শুনে খাতায় লেখেন। ইশান ২০১০ সালে এইচএসসি পাস করেন। রেজাউল করিম জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের স্টোরকিপার ছিলেন। তবে চাকরিচ্যুত হয়েছেন। সহকারী জজ পরীক্ষায় পরে উত্তরপত্র জমা দিয়েও জালিয়াতি করেন রেজাউল। ওমর সিরাজের স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন একই উপায়ে পরে উত্তরপত্র জমা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। র‌্যাব কর্মকর্তারা আরো জানান, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষার জন্য ১৫ লাখ, কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তার জন্য ছয় লাখ এবং সহকারী জজের জন্য ১০ লাখ টাকা করে নিত চক্রটি। ইউজিসির উপসচিব (জনসংযোগ) মো. ওমর ফারুখ জানান, গতকাল অফিস বন্ধ থাকলেও র‌্যাবের অভিযানের খবর পেয়ে তাঁরা অনেকেই ছুটে যান। র‌্যাব ইউজিসির কোনো কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেনি। বিষয়টি তাঁদের কাছে এখনো স্পষ্ট নয়। 

এর আগে মঙ্গলবার রাতে মহাখালী ডিওএইচএস থেকে মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র জালিয়াতির অভিযোগে চারজনকে আটক করেছিল র‌্যাব। তাদের কাছ থেকে ৩৮ হাজার টাকা এবং এক কোটি ২১ লাখ টাকার চেক উদ্ধার করা হয়েছিল। মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে সুষ্ঠুভাবে: এদিকে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা গতকাল সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। একযোগে দেশের ২৩টি কেন্দ্রের ৪৫টি ভেন্যুতে এ পরীক্ষায় মোট ৮৪ হাজার ৭৮৪ জনের অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও কিছুসংখ্যক আবেদনকারী পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিত হননি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। 


সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা চলে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও পরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল হান্নান প্রতিবেদককে বলেন, এবার সরকারি ৩০টি ও বেসরকারি ৬৫টি মিলিয়ে মোট ৯৫টি মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস কোর্সে ৯ হাজার ২১২টি এবং সরকারি ৯টি, বেসরকারি ২৪টি ডেন্টাল কলেজ ও ইনস্টিটিউটের বিডিএস কোর্সের এক হাজার ৮৭৭টি আসনের বিপরীতে মোট ৮৪ হাজার ৭৮৪ জন ভর্তীচ্ছু আবেদন করেছিলেন। তবে কিছু আবেদনকারী অংশ নেননি। আর পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে। বাইরের কোনো ঘটনা বা গুজব পরীক্ষার ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী

কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী

 কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী



কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বে ২৩ শিক্ষার্থী
ফাইল ছবি

দেশে তৃতীয়বারের মতো কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর। ইতোমধ্যেই গত মঙ্গলবার আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছে গুচ্ছ কৃষি ভর্তি কমিটি। মোট ৩৫৩৯টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৭৯ হাজার ১৪৭ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে ১টি আসনের জন্যে লড়বেন প্রায় ২৩ জন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কমিটির দায়িত্বে থাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যা অনুযায়ী আবেদন করা ভর্তিচ্ছুদের তিনগুণ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন। তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ। এ বছর আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.৫০ করা হয়েছে। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুক পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে নতুন যুক্ত হওয়া হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

আগের আসন সংখ্যা অনুযায়ী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি।

তথ্যমতে, এ বছর ২০১৭/২০১৮/২০১৯ সালে এসএসসি/সমমান এবং ২০২০/২০২১ সালে এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় যারা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জীববিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়সহ উত্তীর্ণ হয়েছেন, কেবলমাত্র তারাই এই ভর্তি আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর এসএসসি/সমমান এবং এইচএসসি/সমমানের পরীক্ষায় উভয় ক্ষেত্রে প্রতিটিতে চতুর্থ বিষয় ছাড়া ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০সহ সর্বমোট ন্যূনতম জিপিএ ৮.৫০ থাকতে হবে।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৩০ থেকে ১২টা ৩০ পর্যন্ত ৭টি কেন্দ্র ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এক বা একাধিক উপকেন্দ্রের অধীনে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। 

এইচএসসি/সমমান পর্যায়ে ইংরেজিতে ১০, প্রাণীবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বরের প্রশ্ন থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য ১ (এক) নম্বর প্রদান করা হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি/সমমানের জন্য ২৫ এবং এইচএসসি/সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমান তালিকা তৈরি করা হবে।

এই আন্টির নামেও কি ২০ কোটি টাকার মামলা হবে? প্রশ্ন মাহির

এই আন্টির নামেও কি ২০ কোটি টাকার মামলা হবে? প্রশ্ন মাহির

 এই আন্টির নামেও কি ২০ কোটি টাকার মামলা হবে? প্রশ্ন মাহির

ইউক্রেনে তিনবার ‘ভয়ংকর’ কিনজাল মিসাইল হামলার দাবি রাশিয়ার

কিনজাল। পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ভয়ংকর এক ক্ষেপণাস্ত্রের নাম।  চলতি বছরের ২৪ ফেব্র্রুয়ারি আগ্রাসন শুরুর পর অন্তত তিনবার  শব্দের চেয়েও বেশি গতি সম্পন্ন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে সম্প্রতি দাবি করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোগুইয়ের বরাত দিয়ে রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

সের্গেই শোগুই রোববার রাশিয়া-ওয়ান টিভিকে বলেন, ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযানে তিনবার সফলভাবে মিসাইলটি ব্যবহার করা হয়েছে। তিনবারই অসাধারণ কাজ দেখিয়েছে এই মিসাইল। চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি প্রথমবারের মতো ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলের একটি ভূগর্ভস্থ গোলাবারুদের গুদাম ধ্বংসে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার দাবি করে রাশিয়া।

রাশিয়ার  ‘অপ্রতিরোধ্য’ অস্ত্রভাণ্ডার উন্মোচনের অংশ হিসেবে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন চারবছর আগে এই কিনজাল ক্ষেপণাস্ত্র উদ্বোধন করেন। 

কিনজাল পারমাণবিক বহন করতে পারে।  সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিনজাল বোঝাই মিগ-৩১ ফাইটার বিমান রুশ ছিটমহল কালিনিনগ্রাদে পাঠানো হয়েছে।  এর ফলে ইউরোপের অনেক রাজধানী কিনজালের নাগালের মধ্যে এসেছে। ইউক্রেন থেকে মাত্র ১৪৪০ কিলোমিটার দূরে রাশিয়ার কালিনিনগ্রাদের অবস্থান হওয়ায় ওই দাবি নাকচ করে দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ কিনজাল ক্ষেপণাস্ত্র ২ হাজার কিলোমিটারের (১২৪২ মাইল) বেশি দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে এবং যে কোনো আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পরাস্ত করতে পারে। 

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

 

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’

 অনলাইন ডেস্ক

‘কাউকে লোভ দেখিয়ে পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না ইসি’


‘কাউকে লোভ দেখিযে, সন্তুষ্ট করে, অনুরোধ করে, পায়ে ধরে নির্বাচনে আনবে না নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বাইরে বিভিন্ন দাবি তুললেও তা আমলে নেওয়া হবে না, বিএনপিকে ইসির সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে।’ 

বিএনপির নির্বাচনে না আসার ঘোষণা প্রসঙ্গে রবিবার নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। 

তিনি বলেন, যারা বলছেন যে, আমরা নির্বাচন করবো না, নির্বাচনে আসবো না এবং নির্বাচনেও যাবো না; তারা কী বলছেন না বলছেন তা আলোচ্যসূচিতে রাখার সুযোগ নেই। আমাদের আলোচ্যসূচিতে রাখতে হবে যারা আলোচনায় এসেছেন। কাজেই তারা বাইরে কী বলছেন, তার ভিত্তিতে কি আলোচনা করার সুযোগ আছে!

বিএনপি যদি বলে, নির্বাচনে যাবে তবে ইভিএম চাই না; তখন কী করবেন— এমন প্রশ্নের জবাবে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, তাহলে অবশ্যই আমলে নেবো। কারণ তখন আসবেন এসে বলবেন যে, আমরা নির্বাচনে যাবো, আমরা এটা চাই। তখন তো সেটাই আমরা নেবো। কারণ ওনারা নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। আমলে না নেওয়ার তো সুযোগ নাই। যেহেতু সংলাপে আসে নাই, আলোচনায় আসে নাই। কাজেই ওনাদের কথা তো রেজ্যুলুশনভুক্ত করে আলোচনা করতে পারি না।

যদি এক মাস-দুই মাস আগে এসে বলে ইভিএম চাই না তখন কী হবে, এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, তখন আমরা আলোচনা করবো, পরীক্ষা করবো, তখন অবশ্যই একটা সিদ্ধান্তে আসবো। কেন আসবো না?

ইভিএম থেকে তখন সরে যাবেন এমন প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, সরে যাওয়ার তো বিষয় না। তখন আসন হয়তো কম-বেশি হতে পারে। ওনারা যদি বলেন, এত কইরেন, তখন আমরা যদি কনভিন্সড হই, যে কথায় যুক্তি আছে তাহলে সেটাই হবে। আর যদি দেখি যে যুক্তিযুক্ত না, তখন বলবো আপনাদের যুক্তিটা তো গ্রহণযোগ্য হলো না। আপনারা এভাবে বললে হবে না, বিষয়টা তো লজিক্যাল হতে হবে।

সাবেক এই ইসি সচিব বলেন, বিএনপিকে অবশ্যই আলোচনায আসতে হবে। কারণ যিনি আলোচনায় আসলেন না, কথা বললেন না, তাদের বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার তো সুযোগ নেই। যারা নির্বাচনে আসবেন আমাদের তাদের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে চিন্তা করতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

 রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং

 অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে আজ কখন কোথায় লোডশেডিং


দেশে জ্বালানি সাশ্রয়ে বিদ্যুৎ ঘাটতি সমন্বয় করতে গত ১৯ জুলাই থেকে চলছে শিডিউল করে এলাকাভিত্তিক লোডশেডিং। প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দফায় দফায় লোডশেডিং হচ্ছে।

সোমবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকেও সেই ধারাবাহিকতায় শুরু হবে লোডশেডিং কার্যক্রম। চলবে রাত ১২টা পর্যন্ত।

রাজধানীর বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো) কোথায়, কখন লোডশেডিং করবে, সে শিডিউল জানিয়ে দিয়েছে। যদিও শিডিউলের বাইরেও লোডশেডিং হচ্ছে।

রাজধানীর আজকের সম্ভাব্য লোডশেডিং শিডিউল জানতে ডেসকোর গ্রাহকরা ক্লিক করুন এখানে এবং ডিপিডিসি গ্রাহকরা ক্লিক করুন এখানে

বিডি প্রতিদিন/হিমেল

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

  

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

 অনলাইন ডেস্ক 

এশিয়া কাপ: শাহিন ছিটকে যাওয়ায় ভারতকে ওয়াকারের খোঁচা!

ওয়াকার ইউনিস (বামে) ও শাহিন শাহ আফ্রিদি (ডানে)


গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শাহিন শাহ আফ্রিদি একাই ভারতের টপ অর্ডার গুঁড়িয়ে দিয়েছিলেন। এবারের এশিয়া কাপেও মুখোমুখি হচ্ছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। ভেন্যুও সেই সংযুক্ত আরব আমিরাত। কিন্তু এবার দেখা মিলবে না শাহিনের সেই বোলিং ঝলক। কারণ ইনজুরিতে এশিয়া কাপ শেষ পাকিস্তানি পেসারের। 

শাহিন ছিটকে যাওয়ার খবরে পাকিস্তানি সমর্থকদের মধ্যে হতাশা ছড়িয়ে পড়লেও ভারতের জন্য তা স্বস্তির কারণ বলেই মনে করেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিস।

শনিবার রাতে টুইটারে শাহিন আফ্রিদির একটি ছবি পোস্ট করে ওয়াকার লিখেন, ‘শাহিনের চোট ভারতের টপ অর্ডার ব্যাটারদের বড় স্বস্তি। এশিয়া কাপে তাকে দেখতে পাব না বলে খারাপ লাগছে। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠো, চ্যাম্পিয়ন!’

গত বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে শাহিন শিকার করেছিলেন তিন উইকেট, হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। ম্যাচটি ভারত হেরেছিল ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। 

ডিমের আড়তে অভিযান

ডিমের আড়তে অভিযান

ডিমের আড়তে অভিযান

কারসাজি করে মূল্য বৃদ্ধি

 নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিমের আড়তে অভিযান


কারসাজি করে ডিমের দাম বৃদ্ধি করায় ঢাকা জেলার সাভারের আশুলিয়া থানার বাইপাইলসহ রাজধানীর উত্তরা পূর্ব ও ও পশ্চিম থানার বাজার এলাকার বেশ কিছু আড়তে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করা হয়েছে। 

ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে দেশব্যাপী অভিযানের অংশ হিসেবে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর গতকাল এসব অভিযান চালায়। জানা গেছে, প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য ছিল ৯ টাকা ১০ পয়সা এবং বিক্রি করা হয়েছে ১১ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতিটি ডিমে লাভ করা হয়েছে ২ টাকা ৭০ পয়সা করে। এভাবে বুধবার কারসাজি করে বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি করেন বাইপাইলের আসিফের ডিমের আড়তসহ অনেক আড়তদার। বাধ্য হয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর গতকাল তাদের জরিমানা করে। ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে এ অভিযানে আসিফ ডিমের আড়ত ও এস জে? অ্যাগ্রো ডিমের আড়তকে ১ লাখ টাকা করে এবং ফয়সাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর ঢাকা জেলা কার্যালয়ের অফিসপ্রধান আবদুল জব্বার মণ্ডল ও প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান। আবদুল জব্বার মণ্ডল জানান, অভিযানের সময় দেখা গেছে ডিম কেনার ক্যাশ মেমো সংরক্ষণ করা হয়নি, বিক্রির ক্যাশ মেমো প্রদান করা হয়নি, মূল্য তালিকা টানানো নেই, ক্রয়মূল্যের ভিত্তিতে নয় বরং চাহিদা অনুযায়ী ডিমের দাম নির্ধারণ করা হচ্ছে ইত্যাদি।

তিনি জানান, ডিম, মুরগির দাম যৌক্তিক, স্বাভাবিক ও ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার লক্ষ্যে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় দেশব্যাপী এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে বাইপাইলের ডিমের আড়তে অভিযান চালানো হয়। এ সময় কাগজপত্র যাচাই করে দেখা গেছে, ৭ আগস্ট প্রতিটি ডিমের ক্রয়মূল্য ছিল ৯ টাকা ৪০ পয়সা এবং ২০ পয়সা লাভে বিক্রি হয়েছে ৯ টাকা ৬০ পয়সা দরে। ১৭ আগস্ট প্রতি ডিমে লাভ করা হয়েছে ২ দশমিক ৭০ টাকা। এর মধ্যে ফয়সাল এন্টারপ্রাইজ ১৩ আগস্ট কাজী ফার্মে উৎপাদিত সব ডিম প্রস্তাবিত দরের চেয়ে বেশি দর হাঁকিয়ে নিলামের মাধ্যমে কিনে অতি মুনাফা লাভের আশায় বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে। তার প্রতিষ্ঠান ডিম কেনা ও বেচার কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এমনকি প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স ৩০ জুন মেয়াদোত্তীর্ণ হয়েছে। এসব অপরাধে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ফয়সাল এন্টারপ্রাইজের সকল প্রকার কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। আগামীকাল (আজ) সকাল ১০টায় অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেন তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার জোহরা মার্কেট ও পূর্ব থানার বিড়িয়ার বাজারে অভিযান চালানো হয়। এ দুই অভিযানে ছয়টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ভোক্তা অধিদফতরের পরিচালক ও উপসচিব মোহাম্মদ মনজুর শাহরিয়ার জানান।